• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

নীলফামারীতে শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সিসি নিউজ, ২৩ সেপ্টেম্বর।। নীলফামারী সদর উপজেলার চকদুবলিয়া এস.সি.বি. উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক তাপস কুমার দাসের ওপর অতর্কিত হামলা, মারধর ও লাথি মারায় ম‌্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দীন যাদু এবং তার ছেলের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক-এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে।
২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ১টা হতে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত স্কুলের সম্মুখ সড়কে বিভিন্ন লেখা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে শিক্ষার্থীরা সভাপতি ও তার ছেলের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নীলফামারী সদর শাখার সভাপতি উত্তম কুমার রায়, সাধারন সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, সদস্য মোঃ মহাফিজুর রহমান খান, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন, চড়কডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ময়জুল আলম, চকদুবলিয়া এস.সি.বি. উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ রায় সহ সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।
মানববন্ধনে সিনিয়র শিক্ষক তাপস কুমার দাসের ওপর হামলা ও মারধর করায় অনতিবিলম্বে সভাপতি নিজাম উদ্দীন যাদু ও তার ছেলের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
চকদুবলিয়া এস.সি.বি. উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের প্রিয় ইংরেজি শিক্ষক তাপস দাস এই স্কুলে ৩০ বছর ধরে চাকরি করেন। নিজাম উদ্দীন যাদু এই স্কুলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বেতন ভাতার সই করার জন্য টাকা দাবি করে থাকে। সাম্প্রতিক সভাপতি উৎকোচ না পাওয়ায় এই বছরের জুন-জুলাই-আগস্ট তিন মাসের বেতন বন্ধ করে রাখলে শিক্ষকরা এর প্রতিবাদ করে। এই প্রতিবাদে তাপস স্যার অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এরপর হতেই সভাপতি তাপস স্যারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে থাকে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর সভাপতির মেয়ে দশম শ্রেণির জনৈক ছাত্রী তাপস স্যারের ইংরেজি ক্লাস চালাকালীন বেপড়োয়া ভাবে বাইরে যায় আবার আসে। ক্লাশ চলাকালীন বাইরে যাওয়া আসার বিষয়ে তাপস স্যার জানতে চাইলে সে স্যারকে উল্টা চার্জ করে থাকে যে আমি সভাপতির মেয়ে। আমাকে আপনার অনুমতির কোন প্রয়োজন নেই। এভাবে বললে তাপস স্যার তাকে বেয়াদব বললে সে বাইরে গিয়ে মুঠোফোনে বিষয়টি পরিবারে অবগত করে। পরে টিফিনের সময় স্যার স্কুলের পার্শ্বে ক্যানেলের বাজারে চা খেতে গেলে সভাপতির বড় ছেলে হাসানুল, মেজো ছেলে মিজানুর, ছোট ছেলে হামিদুল ও নাতি ফিরোজ তাপস স্যারের ওপর অতর্কিত হামলা করেন এবং প্রাণনাশের চেষ্টা করেন। আমরা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং সভাপতি ও তার ছেলেদের শাস্তি চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ